Saturday, 22 January 2022

সুভাষ

 ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট বলতো ,”সুভাষ একটা রোগ। একটা সংক্রমণ,যা অচিরেই আটকানো দরকার।” আমরা বলি, সুভাষ একটা আধ্যাত্মবোধ। যাঁর সুভাষে – সুভাষের অন্তর্ধানের ৬২ বছর পরেও সুভাষিত হচ্ছে হাজারো রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক মস্তিষ্ক । নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ব্যপারে আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো অনর্গল বলে লিখে বা ভেবে কাটিয়ে দিতে পারবেন ঘন্টার পর ঘন্টা। হয়তো উঠে আসবে ২৩ শে জানুয়ারি ১৮৯৭। ১৮ অগাস্ট ১৯৪৫- এর মত তারিখ । উঠে আসবে জানকীনাথ বসু, প্রভাবতী দেবী, এমিলি বা অনিতা দেবীর নাম। মানচিত্রে হয়তো দেখিয়ে দেবেন কটক,ভবানীপুর, আফগানিস্তান ,জার্মানি, কোহিমা বা তাইওয়ানকে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে, সুভাষ কে? সুভাষ কি? সুভাষ কেন? নিজের মতো করে উত্তর দিই, –


১) সুভাষ কে? : সুভাষ একটা গন্ধ,যা বারুদের থেকে তীব্র,অ্যামোনিয়ার থেকে ঝাঁঝালো আর কস্তুরীর চেয়ে মিঠে। এই মিঠে সুভাষ গায়ে মেখে স্বাধীনতার প্রথম পতাকার সাক্ষী কোহিমা আজও অপেক্ষা করে সুভাষের। এই গন্ধের ঝাঁঝ সীমান্তে ঘুম ভাঙ্গায় শত্রু পক্ষের। এই গন্ধে বারুদের তীব্রতা ফুসফুসে মিশিয়ে পথে নামে সহস্র যুবক-যুবতী । কখনও রিজওয়ানুরের জন্য । কখনও বা নির্ভয়ার জন্য। সুভাষ সে, যে চোখে চোখ রেখে বলে, স্বাধীনতা চেয়ে পাওয়া যায় না। স্বাধীনতা অধিকার। স্বাধীনতা বিপ্লব। যে বিপ্লব, আজও প্রতিনিয়ত প্লাবিত হয় তোমার আমার রক্তে। শুধু সেই ধ্বনিটা দরকার যে, রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার আশ্বাস দেয় । শুরুতেই বলেছি, সুভাষ একটা গন্ধ । একটা বোধ । তাই হয়তো সুভাষকে ধরা যায় না। সুভাষ স্বাধীন থাকে আমরণ।


২) সুভাষ কি? : সুভাষ আমাদের সমাজের সবকটা স্তম্ভের ভিতরে থাকা সেই লোহার শিকের কাঠামো, যাতে মরচে ধরানো যায় কিন্তু উপরে ফেলা যায় না। ২৬ শে জানুয়ারি কুচকাওয়াজ দেখতে দেখতে অবচেতন মনেই যখন কপালে হাত উঠে যায় ,মনে রাখবেন ওখানে সুভাষ ছিল। ৫০ হাজারের স্টেডিয়ামে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বিশ্বকাপ নিয়ে দৌড়তে দেখে যখন আপনার চোখ দিয়ে জল পড়েছিল, সেদিনও সুভাষ ছিল। কনকনে শীতে মোহন যখন মোহাম্মদকে সঙ্গী করে ভোররাতে সুফিয়ার নিহারি খেতে গেছিলেন, সেদিনও সুভাষ ছিল। আক্রম হয়তো জানে না, অষ্টমীর রাতে সুভাষ সারারাত আড্ডা মেরেছিলো ওদের সাথে ম্যাডক্স স্কোয়ারে । “সুভাষ কী, তা আমরা বারবার না বুঝেও তার প্রমান দিই। সোশ্যাল মিডিয়াতে ১০০ টাকার নোটে নেতাজির ছবির দাবি যতবার শেয়ার হয়েছে, ততবার বুঝেছি “সুভাষ কী “।


৩) সুভাষ কেন? : বিশ্বাসে মেলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। সুভাষ তাই আসলে একটা বিশ্বাস। যে বিশ্বাস রোজ একটা গোটা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অগ্রগতির দিকে। একটা বিশ্বাস। যে বিশ্বাস আস্থা রাখে, একদিন অন্যায় বন্ধ হবে। সকলে সমান অধিকারে সুস্থভাবে বাঁচবে। আগেও বলেছি সুভাষ তাই রক্তে প্লাবিত হয়। ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট যতই সুভাষকে রোগ বলুক, সুভাষ তো আসলে রক্তের সেই উষ্ণ অনুভূতি যা, শরীরকে রোগমুক্তি করে। সমাজে যখনই কোনও অধিকার-সম্পন্ন ক্ষমতাশীল মানুষকে ঘুষ খেতে দেখেছেন, রক্ত টগবগ করে ফোটানোর জন্য সুভাষ। যতবার টিকিট না কেটে মনে ভয় নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন, তার কারণ সুভাষ। যতবার আপনার জীবদ্দশায় বিবেকের কাছে আপনাকে মাথা নত করতে হবে অথবা রাতে শোওয়ার আগে আয়নায় মাথা তুলে দাঁড়াবেন, তার কারণ হবে সুভাষ।


সবকিছুর ‘কম্প্রোমাইস’- এর দেশে অধিকারবোধ তো আসলে সুভাষেরই দান। তাই তো পাড়ার আড্ডায়, চায়ের ঠেকে, মদের আসরে বা বিজ্ঞদের আলোচনায় মাঝেমাঝেই আমরা বলি -“নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মত করে স্বাধীনতা পেলে দেশটা হয়তো অন্যরকম হতো।


भागवत निषाद (भूतपूर्व फौजी) गोरखपुर

 शुक्रवार दोपहर दुष्कर्म के अभियुक्त का वध करने के वाले दुष्कर्म पीड़िता के पिता भागवत जी ने पुलिस को यह बयान दिया है और कहा है कि "मुझे दिलशाद की हत्या करने का कोई पछतावा नहीं है। घुट-घुटकर जीने से अच्छा है जेल में रहना। फांसी चढ़ जाना।" 


भागवत जी ने बतलाया कि समाज के ताने और दिलशाद की हरकतों से परेशान होकर उन्होंने यह कदम उठाया।

पुलिस ने भागवत जी का बयान दर्ज किया है। बयान के मुताबिक, भागवत निषाद ने कहा है कि समाज के ताने सुन-सुनकर वह इतना परेशान हो गये थे कि आत्महत्या करने की सोचने लगे थे। भागवत जी ने आगे बताया कि बीच जमानत पर छूटे दिलशाद की हरकतों ने मेरी परेशानी को गुस्से में बदल दिया। खुदकुशी करने से परिवार का भविष्य खराब होने के डर से इरादा बदल दिया। सोचा क्यों न परेशानी की वजह को ही जड़ से खत्म कर दिया जाए और उसकी इसलिए उन्होंने दिलशाद का वध कर दिया।


भागवत जी ने बताया कि एक समय था कि घर में कोई काम पड़ने पर दिलशाद मदद करता था, लेकिन समय के साथ उसके तौर तरीके बिगड़ते गए। दिलशाद उसके घर के सामने ही पंचर की दुकान लगाता था। उसे समझाया और डांटा भी। इसके बाद वह दुकान बंद कर गोला जाकर काम करने लगा था। लेकिन, उसकी हरकतों में सुधार नहीं आया। एक दिन बेटी कॉलेज से घर आ रही थी, तभी उसे जबरन लेकर हैदराबाद चला गया। पुलिस ने छह दिन बाद केस दर्ज किया था। लड़की को हैदराबाद से बरामद किया। दिलशाद जेल गया। मैं दो साल पहले ही सेना से सेवानिवृत्त हुआ था। 


जब भी कहीं जाता था, बेटी के बारे में लोग कानाफूसी करते थे। इस कारण घर से बाहर भी नहीं निकलता था। किसी तरह परिवार वालों ने संभाला। जब तक दिलशाद जेल में था, तब तक तो ठीक था। जेल से बाहर आते ही वह मुझे और बेटी को परेशान करने लगा। कभी घर के बाहर आकर जोर-जोर से चिल्लाता तो कभी कुछ और हरकत करता था। इससे मुझे गुस्सा आता था, लेकिन लड़की की गलती भी लगती थी। इसी बीच खुदकुशी का ख्याल मन में आया, लेकिन फिर सोचा कि मेरे बाद परिवार का क्या होगा ? 


दिलशाद सबका जीना मुश्किल कर देगा। इसके बाद कांटे को ही रास्ते से हटाने का फैसला कर लिया। मैने बेटी के अपमान व प्रताड़ना का बदला ले लिया है। अब बेटी या परिवार को कोई परेशान नहीं करेगा...!!


Tuesday, 11 January 2022

মাস্টারদা সূর্য সেন

 মাস্টারদা সূর্য সেন…

         


বিয়ের রাত, মাস্টারদা এসেছেন বিয়ে করতে। বিয়ের মন্ত্র পড়া হবে , এমন সময় হঠাৎ পাশ থেকে একজন মাস্টারদার হাতে গুঁজে দিল একটু চিরকুট। চিরকুট পড়ে খুবই চিন্তিত ও গম্ভীর হয়ে গেলেন মাস্টারদা। গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে কলকাতার দলের উচ্চমহল থেকে। ফুলশয্যার রাতে নির্জন কক্ষে সহধর্মিণী পুস্পকে বললেন " তোমার কাছে আমার অপরাধের সীমা নেই। তুমি আমার অগ্নি সাক্ষী করা স্ত্রী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তুমিই আমার স্ত্রী থাকবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজে আমার ডাক এসেছে।আজ ই তোমার কাছ থেকে আমাকে বিদায় নিতে হবে।" অশ্রুসিক্ত নয়নে মাস্টারদাকে বিদায়  দিয়েছিলেন নব বিবাহিতা স্ত্রী পুস্প। শুধু জিজ্ঞেস করেছিলেন মাস্টারদার চিঠি পাবে কিনা।                                         কথা রেখেছিলেন মাস্টারদা। চিঠি আসতো পুস্পর কাছে, খুব গোপনে।সে চিঠি শুরু হতো " স্নেহের পুস্প" দিয়ে আর শেষ হতো  " তোমার ই সূর্য " দিয়ে।                                                   আর দেখা হয়নি স্বামী স্ত্রীর? হয়েছিল,পুস্প যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, মৃত্যু পথযাত্রী, সূর্য তখন জেলে। প্যারোলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ছাড়া পেয়ে স্নেহের পূস্পকে দেখতে এসেছিলেন মাস্টারদা। কিন্তু তার আগেই জীবনদীপ নিভে গেছে পূস্পর।


২রা ফেব্রুয়ারী ১৯৩৩ ....

পলাতক সূর্য সেনকে গৈরালা গ্রামে নিয়ে এসেছেন বিপ্লবী ব্রজেন সেন । মাষ্টারদার সাথে রয়েছেন তার একান্ত অনুগত শান্তি, কল্পনা দত্ত,  সুশীল ও মণি দত্ত । তাঁরা ছিলেন গ্রামের বিশ্বাস বাড়িতে, পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন সে বাড়ির বড়বধূ ক্ষিরোদপ্রভা ।


বেশ ছিলেন কিন্ত বিপদ এলো অন্য দিক দিয়ে । প্রতিবেশী নেত্র সেনের সন্দেহ হলো কারা আছে বিশ্বাস বাড়িতে ? কিসের এত ফিসফাস গুঞ্জন । খবর লাগাতে বললেন নিজের গিন্নিকে ।

গ্রাম্য বধূটি সরল মনে এসে বললো ও বাড়িতে সূর্য সেন লুকিয়ে আছে গো ! অমন লোককে খাওয়ালেও যে পূণ্যি লাভ !

শুনে লাফ দিয়ে উঠলো নেত্র । খবর দিলেই যে কড়কড়ে দশ হাজার টাকা ! বউকে আশ্বস্ত করে

ব্যাগ হাতে তখনই বেরিয়ে পড়লো, সোজা উঠলো গিয়ে থানায় ।


সেদিন রাতে ঘুম ভাঙতে চমকে উঠলো ব্রজেন , জানলা দিয়ে লণ্ঠন দেখিয়ে কি করছে দাদা নেত্রীর সেন ? এক মিনিটও লাগলো না বুঝতে, ছুট লাগালেন বিশ্বাস বাড়ির দিকে । দেরী হয়ে গেছে ততক্ষনে, ক্যাপ্টেন ওয়ামসলের নেতৃত্বে গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেছে গোর্খা সেনার দল।রকেট বোমার আলোতে সবকিছু দিনের মতো স্পষ্ট । 


পরদিন সমস্ত সংবাদপত্রের হেডলাইন..... গৈরালা নামক গ্রামে সূর্য সেন গ্রেফতার । এনাকে ধরবার জন্য সরকার দশহাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করিয়াছিলেন ।( অমৃতবাজার পত্রিকা ১৭.২.১৯৩৩)


তিনদিন পর.........

সন্ধে বেলায় জলখাবার খেতে বসেছে নেত্র সেন,পাশে স্ত্রী । দরজায় শব্দ হতে উঠে গিয়ে খুলে দিলেন। পাড়ারই চেনা ছেলে দেখা করতে এসেছে স্বামীর সঙ্গে । সবে উনি ভাবছেন সেখান থেকে সরে যাবেন কিনা, আচমকা পাড়ার সেই ছেলের হাতের ভোজালির কোপে স্বামীর মুণ্ডু ছিটকে পড়লো!


থরথর কাঁপছেন গ্রাম্য বধূ । ঘাতক যাওয়ার আগে বলে গেলেন, মাস্টার দার সঙ্গে বেইমানি করার উপযুক্ত শাস্তি ।


বৃটিশ পুলিশ কতবার কতভাবে জেরা করেছে সাধারণ আটপৌরে ঐ বধূটিকে। একবার তিনি বলুন স্বামীর ঘাতকের নাম। মুখ খোলেননি নেত্র সেনের বিধবা |

শুধু বলেছিলেন চোখের সামনে তিনি স্বামীকে লুটিয়ে পড়তে দেখে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত । স্বামী হারানোর যন্ত্রণায় এখন কষ্ট পাচ্ছেন, আর কিছুই বলার নেই। কিন্তু যে মানসিক যন্ত্রণায় তিনি সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন তা হল এই জেনে যে তাঁর স্বামী নেত্র সেন একজন বিশ্বাসঘাতক, যিনি  পুলিশের পুরস্কারের লোভে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন মাস্টার দার মতো ব্যক্তির সঙ্গে । তাই তাঁকে হত্যা করে ঠিকই করেছেন মাস্টার দার সহযোগী ঐ তরুণ। মেরে ফেললেও তিনি ওই বিপ্লবীর নাম ফাঁস করবেন না ।


হয়রানির বেশি আর কিছু নেত্র সেনের স্ত্রীকে করেনি ব্রিটিশ পুলিশ | ততদিনে তাদের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়ে গেছে | কারাগারে নির্মম অত্যাচার করা হচ্ছে মাস্টার দার উপরে |


অনেকদিন পর জানা গেছিল হত্যাকারী আর কেউ নয়, ..... .....সেন বংশের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার দায়িত্ব স্বেচ্ছায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল ঐ বাড়িরই ছোট ছেলে কিরন সেন । মাষ্টারদা মরার আগে জেনে গেছিলেন দেশদ্রোহীকে চরম দন্ড দিতে তাঁর মন্ত্রশিষ্যরা এতটুকু দয়া দেখায়নি । 

মুক্তির মন্দিরের সোপান তলে এরকম কত কিরণ নিঃশব্দে দিয়েছে বলিদান ......আমরা মনে রাখিনি। 


"তোমাকে ভুলে গেলে নিজেকে ভুলে যাওয়া।

তোমার বিপ্লব আজও উদিয়মান সূর্যের আলোর মতো।

যতোদিন এই পৃথিবীতে সূর্য উঠবে, ততোদিন তুমিও থাকবে মাস্টারদা সমগ্ৰ ভারতবাসীর অন্তরের অন্তঃস্থলে।"

Saturday, 8 January 2022

अभिमन्यु कैसे मारा गया ?

  अभिमन्यु कैसे मारा गया ?

यदि कोई आपसे पूछे
कि
अभिमन्यु कैसे मारा गया ?
तो संभवतः आपके पास दो जवाब होंगे !
पहला:
अभिमन्यु को कौरव सेना के दर्जनों
महारथियों ने घेरकर मार दिया !!
दूसरा:
अर्जुन से चक्रव्यूह तोड़ने की विद्या सुनते
हुए सुभद्रा की नींद लग गई थी,
जिससे अभिमन्यु
माँ के गर्भ में चक्रव्यूह तोड़ने का हुनर
नहीं सुन पाया और
चक्रव्यूह में फंसकर मारा गया !!
लेकिन यह इस सवाल का सही जवाब
नहीं है...
इस सवाल का सही जवाब है....
कौरवों की वो रणनीति
जिसके तहत अर्जुन को युद्धक्षेत्र से
जानबूझकर इतनी दूर ले जाया गया कि,
वो चाहते हुए भी अपने बेटे को
बचाने हेतु समय पर नहीं पहुंच सके...!
अगर
अर्जुन अभिमन्यु से दूर नहीं होते
तो शायद कोई भी
अभिमन्यु को मार नही पाता !!
फिलहाल युद्धक्षेत्र सज चुका है..!
अभिमन्यु (मोदी जी) को
घेरने की पूरी तैयारी हो चुकी है !!
कौरवों के योद्धा
कांग्रेस,
सपा,
बसपा,
ममता,
लालु,
वांमपंथी,
आप,
ओवेसी
चीन और
पाकिस्तानी
इकट्ठे हो रहे हैं...!!!
अब.....बस
आखिरी रणनीति के तहत
अर्जुन को
(तमाम हिन्दुऔ को जातियों में
तोड़ कर)
रणक्षेत्र से दूर करने की कोशिश जारी है..!
अब ये आप पर निर्भर है कि,
आप..!
अभिमन्यु को अकेला छोड़कर
उसके मरने के बाद पछताना
चाहते हैं..
या..!
उसके साथ खड़े रहकर उसे
विजयी होते देखना..!!
हमारी आने वाली पीढ़ियों के भविष्य का सवाल है !
*वंदे मातरम्*




Monday, 3 January 2022

বাবাজি - Hansraj Raghuwanshi

 #Hansraj #Raghuwanshi


এখন যিনি 'বাবাজি' নাম পরিচিত | একজন ভারতীয় মেধাবী গায়ক |  ব্যাক টু ব্যাক সুপারহিট গান দিয়ে চলেছেন এবং তাঁর গায়কীর প্রতি আকর্ষিত হয়ে ভারতীয় যুব সমাজ ভক্তিতে লীন হয়ে যায় |


কিন্তু কে এই ছেলেটি?


হিমাচল প্রদেশের এক দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা এই ছেলেটির বয়েস মাত্র 27 বছর | হিমাচল প্রদেশের সুন্দর নগর কলেজে লেখাপড়া করতেন,তবে পারিবারিক অর্থনীতি টানাপোড়েন এর কারণে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি |  এরপর কাজের খোঁজে দিল্লি চলে আসেন 2010 সালে | কিন্তু দিল্লিতেও কর্ম সংস্থানের সুযোগ না পাওয়ার পুনরায় হিমাচল প্রদেশে ফিরে এসে তাঁর নিজের কলেজ ক্যান্টিনেই কোনরকম একটা কাজ করার সুযোগ পান |


ছোট থেকেই ভোলে বাবার একজন ভক্ত ছিলো | ক্যান্টিনে কাজের ফাঁকে ফাঁকে গুনগুন করে ভোলে বাবার ভজন গাইতেন | তাঁর গান শুনতে ভালোবাসতেন অনেকেই | এরপর তাঁর কিছু শুভাকাঙ্খী বন্ধুর সহযোগিতায় ও পরামর্শে 2016 সালে তাঁর একটি গান ইউটিউবে পাবলিস করে |


কিন্তু " অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায় হায় যে নিয়তির কি খেলা" হয়তো বড় সফলতা প্রাপ্তির আগে ঈশ্বর তার ভক্তের পরীক্ষা নিয়ে থাকেন, যাতে সফলতা আসার পরে গ্রাউন্ডেট থেকে মানুষ নিজের সফলতাকে ধরে রাখতে পারে| 


তাঁর গানের ভিওয়ার্স দেড় লক্ষ ছাড়িয়ে যাওয়ার পরে ইউটিউব তার পলিসির কারণে গানটিকে ডিলিট করে দেয় | এরপর পুনরায় সে গানটি আপলোড করে অতঃপর আবারও একই কারণে গানটি ডিলিট করে দেয় ইউটিউব কতৃপক্ষ | ততক্ষনে তাঁর গান মানুষ পছন্দ করছে সেই ব্যাপারে ক্লিয়ার হয়ে যায় | বারবার আসফলতা তাকে তাঁর গানের প্রতি আরো বেশি সেনসিটিভ করে তুলছিলো| শত বাঁধা বিপত্তিকে টাফ ফাইট দিতে মনের জোরে ফাইনালি কিছু টাকা জোগাড় করে কোন দক্ষ ষ্টুডিওতে গান রেকর্ড করেন এবং ইউটিউব এর সমস্ত গাইডলাইনকে মান্যতা দিয়ে 2016 সালে রিলিজ করে "ভোলে বাবা" গানটি যা মিলিয়ান ভিওয়ার্স পার করে | 


    বাবাজির জীবনের এই ট্রান্সফরমেশন পিরিয়ড থেকে যুব সমাজের অনেক কিছু শেখার আছে | বর্তমানে ভারতীয় যুব সমাজ যেখানে পাশ্চাত্য গান বাজনাকে আপন করতে গিয়ে নিজের সংস্কৃতিকে সন্মান জানাতে ভুলে যাচ্ছে | সেখানে হিমাচলের এই যুবক  শিবের ভজনকে ট্র্যান্ডিং এর রূপ দিতে সক্ষম হয়েছে | তাঁর গানের প্রতিটা শব্দে আছে আধ্যাত্মিকতার মার্ক দর্শন | কেদার নাথকে ঘিরে তাঁর উন্মাদনা আমাদের অন্তরাত্মার দরজা খুলে দিয়েছেন, এখন কেদার নাথ যাত্রা করছে প্রচুর ইয়ং ছেলে মেয়ে | 

তার গানের গভীরতার একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই...

"Shiv Sama Rahe Mujhme

Aur Mai Shunya Ho Raha Hoon"


শিব অর্থাৎ সত্য সুন্দর মঙ্গলময় যা কিছু, "শূন্য হয়ে যাওয়া"  মানে অতীত থেকে মুক্ত হয়ে, ভবিষৎ এর চিন্তা না করে বর্তমান ক্ষনকে উপভোগ করো | চিন্তা নয় চিন্তনে মগ্ন হও| ইগো, অহং, আমিত্বকে ভুলে গিয়ে completely surrender to god...এই 

state of mind এ আসাই হচ্ছে "শূন্য কা উর্জা"....


    আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদল প্রয়োজন | "ঈশ্বরের আশীর্বাদ" বলতে আমরা যা বুঝি, বিনা কর্মে ফল লাভের আশা | আসলে কি তাই? ভগবান কোন আঁকার রূপে নেই, তিনি আছেন আমাদের আশেপাশেই এনার্জি ফর্মে | প্রতিনিয়ত আমাদের intuition power আমাদের গাইড করে যায়, আমরা বাহ্যিক বস্তুর প্রতি এতটাই মোহিত হয়ে থাকি যে, এত শোরগোলের তাণ্ডপে, নিজের intuition guidance কে উপেক্ষা করে পরের উপদেশ গ্রহণ করি | প্রতিটা আত্মা পরমত্মার অংশ | অন্তরের যে শক্তি তা স্বয়ং ডিভাইন কলিং এবং তিনি আমাদের ইচ্ছা শক্তিকে বাড়িয়ে দেন, সঠিক রাস্তা দেখান, আমরা সচেতন হলে সেই রাস্তা বাছাই করে সাকসেস হওয়ার দিকে এগিয়ে যাবো |


জয় ভোলানাথ 🔱🔱🔱🔱


Tuesday, 28 December 2021

Happy birthday 🎂 Sir Ratan Tata

 একবার এক সাংবাদিক এক বেকার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করে- BMW নিতে তোমার কত সময় লাগবে, সে জানায় 3 বছর । একই প্রশ্ন একজন ব্যবসায়ী কে করলে সে বলে 1 বছর। কাতারের এক শেখকে এই প্রশ্ন করলে সে জানায় 6 মাস। ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তি রতন টাটাকে এই প্রশ্ন করলে সে জানায় 5 বছর। সাংবাদিক বলেন আপনি BMW নিতে এত সময় নেবেন?? উনি উত্তর দেন- BMW অনেক বড় কোম্পানি, ওকে নিতে গেলে 5 বছর সময় লেগেই যাবে।

সাংবাদিক অবাক হয় কেননা সবাই একটা BMW গাড়ির কথা ভাবছে, সেখানে রতন টাটা গোটা কোম্পানি নেবার কথা ভেবেছে। রতন টাটা বলেন- যা ভাববে বড় ভাবো। অনেকটা ভাবলে তবে একটু পাবে।
আমেরিকা তে পড়ার সময় সেও প্রেমে পড়ে। বিয়েও প্রায় ঠিক। কিন্তু 1962 সালের চীন-ভারত যুদ্ধের জন্য সেই প্রেমিকা ভয়ে আর ভারতে আসেননি। ফলে ব্যক্তিটি আজীবন বিয়েও করলেন না। ভারতীয় অর্থনীতিতে মহান কারিগর রতন টাটার আজ জন্মদিন।
Happy birthday 🎂 Sir Ratan Tata

Monday, 27 December 2021

আমি গান্ধীজিকে কেন বধ করেছি

 "আমি গান্ধীজিকে কেন বধ করেছি"

---নাথুরাম গোডসে



-----------------------------------------------

সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয় মাননীয় নাথুরাম গোডসের ভাষন --- 

আমি গান্ধীকে কেন বধ করেছি । ৬০ বছর এটা নিষিদ্ধ ছিল! 


আমরা সকলেই জানি, ৩০ শে জানুয়ারী, ১৯৪৮ গোডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করেছিলেন। গুলি করে উনি ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যান নি! উনি আত্মসমর্পণ করলেন! 


গোডসের সঙ্গে আরও ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হল। মামলা চলাকালীন প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা হয় যাতে নাথুরাম গোডসে তাঁর বক্তব্য রাখতে পারেন। অনুমতি তো মিলল কিন্তু শর্ত সাপেক্ষ ! 


সরকারের নির্দেশ অনুসারে কোর্টের বাইরে যাওয়া চলবে না। পরে ওনার ছোট ভাই গোপাল গোডসে দীর্ঘদিন মামলা চালানোর পর ---- প্রায় ৬০ বছর পর অনুমতি পাওয়া যায় সর্ব সমক্ষে রাখার। 


১. নাথুরাম ভাবতেন --- গান্ধীজির অহিংসা ও মুসলিম তোষণ নীতি হিন্দুদের কাপুরুষে রূপান্তরিত করে দিচ্ছে। কানপুরে গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থীকে মুসলিমরা নির্মম ভাবে হত্যা করে। আর যে গণেশজী গান্ধীজির ভাব ধারায় প্রভাবিত ছিলেন ---- তাঁর হত্যাকান্ডে গান্ধীজি চুপ রইলেন!


২. ১৯১৯ এর জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকান্ডে সমস্ত দেশ আক্রোশে ফুঁসছিল। এই নৃশংস হত্যাকারী খলনায়ক জেনারেল ডায়ারের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য গান্ধীকে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি পরিস্কার মানা করে দেন! 


৩.গান্ধী খিলাফত আন্দোলনকে সমর্থন করে ভারতে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বুনলেন! নিজেকে কেবল মুসলিমদের হিতৈষী হিসাবে হাবে-ভাবে বুঝিয়ে দিতেন। কেরালায় মোপলা মুসলিমরা ১৫০০ হিন্দুকে হত্যা ২০০০ হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করল! গান্ধীজি বিরোধিতা পর্যন্ত করলেন না! 


৪. কংগ্রেসের ত্রিপুরা অধিবেশনে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস বিপুল সমর্থনে জয়লাভ করেন। কিন্তু গান্ধীর পছন্দের প্রার্থী ছিল সীতা রামাইয়া! সুভাষ চন্দ্র বোসকে পরে বাধ্য করা হয় ইস্তফা দেওয়ার জন্য। 


৫. ২৩ শে মার্চ, ১৯৩১ --- ভগৎ সিংকে ফাঁসী দেওয়া হয়। সারা দেশ এই ফাঁসী আটাকানোর জন্য গান্ধীকে অনুরোধ করেন। গান্ধী ভগৎ সিং এর কার্যকলাপকে অনুচিত মনে করে এই অনুরোধ রাখেন নি! 


৬. গান্ধীজি কাশ্মীরের রাজা হরি সিংকে পদত্যাগ করতে বলেন --- কারণ কাশ্মীর মুসলিম বহুল রাজ্য! উনি হরি সিংকে কাশী গিয়ে প্রায়শ্চিত্য করতে বলেন! অথচ হায়দ্রাবাদের নিজামের ক্ষেত্রে চুপ। গান্ধীজির নীতি ধর্ম বিশেষে বদলাতো। পরে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের সক্রিয়তায় হায়দ্রাবাদকে ভারতের সঙ্গে রাখা হয়। 


৭. পাকিস্তানে " হিন্দু নিধন যজ্ঞ " চলছে তখন! 

প্রাণ বাঁচাতে বেশ কিছু হিন্দু ভারতে চলে আসে। অস্থায়ী ভাবে আশ্রয় নেয় দিল্লীর মসজিদে। মুসলিমরা এর জন্য বিরোধিতা শুরু করে। ভয়ঙ্কর শীতের রাতে মা-বোন-বালক-বৃদ্ধ সকলকে জোর করে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়। নীরব রইলেন গান্ধী ! 

 

8. গান্ধী মন্দিরে কোরান পাঠ ও নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করলেন! এর বদলে কোন মসজিদে গীতা পাঠের ব্যবস্থা করতে পারলেন না! অসংখ্য হিন্দু, ব্রাহ্মণ এর প্রতিবাদ করেছিল ---- গান্ধী আমলই দিলেন না! 


৮. লাহোর কংগ্রেসে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের জয় হল, কিন্তু গান্ধী জেদ করে এই পদ নেহেরুকে দিলেন। নিজের ইচ্ছা সফল করানোতে উনি সিদ্ধ হস্ত ছিলেন। 

ধর্না, অনশন, রাগ, বাক্যালাপ বন্ধ করা ---- এই কলা গুলির সাহায্যে যখন তখন ব্লাকমেল করতেন। সিদ্ধান্তের ঠিক ভুলও বিচার করতেন না। 


১০. ১৪ ই জুন, ১৯৪৭ দিল্লীতে অখিল ভারতীয় কংগ্রেস সমিতির বৈঠক ছিল। আলোচনার বিষয় ছিল ভারত বিভাজন। এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে দেশ ভাগের প্রস্তাব গান্ধী সমর্থন করলেন। এই ইনিই একদিন বলেছিলেন ---- দেশ ভাগ করতে গেলে ওনার মৃত দেহের ওপর করতে হবে! 

লাখ লাখ হিন্দু মারা গেলেও উনি চুপ থেকেছেন! মুসলিমদের কখনো শান্তি বজায় রাখার আদেশ দেন নি ---- যত আদেশ উপদেশ শুধু হিন্দুদের ওপর! 


১১. ধর্ম নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে "মুসলিম তোষণ" এর জন্ম দেন গান্ধী। যখন হিন্দী ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার বিরোধীতা করল মুসলিমরা ---- স্বীকার করলেন গান্ধী! 

অদ্ভুত এক সমাধান দিলেন --- "হিন্দুস্তানি" (হিন্দী ও' উর্দুর খিচুরি)!  বাদশাহ রাম, বেগম সীতা বলার চল শুরু হল! 


১২. কিছু মুসলমানের বিরোধিতায় মাথা নত করলেন আবার ---- "বন্দে মাতরম" কে জাতীয় সংগীত হতে দিল না ! 


১৩. গান্ধীজি বেশ কয়েকবার ছত্রপতি শিবাজী, মহারাণা প্রতাপ, গুরু গোবিন্দ সিংহকে পথভ্রষ্ট দেশভক্ত বলেছেন! কিন্তু সেখানে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহকে "কায়েদে আজম" বলে ডাকতেন! কি অদ্ভুত না! 


১৪. ১৯৩১ এ জাতীয় কংগ্রেস স্বাধীন ভারতের জাতীয় পতাকা কেমন হবে  তা নির্ধারণ করার জন্য একটি কমিটি তৈরী করে। এই কমিটি সর্ব সম্মতিতে ঠিক করেন --গেরুয়া বস্ত্রের পতাকা হবে যার মাঝখানে চরকা থাকবে। কিন্তু গান্ধীজির জেদে সেটা তেরঙ্গা করতে হয়! সব ওনারই মর্জির ওপর নির্ভর করত!

 

১৫. যখন সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটৈলের উদ্যোগে সোমনাথ মন্দিরের পুননির্মাণের প্রস্তাব সংসদে রাখা হয় ----- তখন উনি বিরোধিতা করলেন! এমনকি উনি মন্ত্রীমন্ডলেও ছিলেন না! কিন্তু অদ্ভুত ভাবে ১৩ ই জানুয়ারী, ১৯৪৮ এ আমরণ অনশন শুরু করলেন --- যাতে সরকারি খরচে দিল্লীর মসজিদ তৈরী হয়! কেন এই দ্বিচারিতা? উনি হিন্দুকে হয়তো ভারতীয় ভাবতেনই না! আচ্ছা উনি আদৌ হিন্দু ছিলেন তো? 


১৬. গান্ধীজির মধ্যস্থতায় ঠিক হয় ---- স্বাধীনতার পর ভারত পাকিস্তানকে ৭৫ কোটি টাকা দেবে। ২০ কোটি শুরুতেই দেওয়া হয়। বাকি ছিল ৫৫ কোটি। কিন্তু ২২ শে অক্টোবর, ১৯৪৭ পাকিস্তান কাশ্মীর আক্রমণ করে! পাকিস্তানের এই বিশ্বাস ঘাতকতার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীমন্ডল সিদ্ধান্ত নেয় বাকী পয়সা আর পাকিস্তানকে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই বেঁকে বসলেন লাঠিধারী! শুরু করলেন আবার ব্লাকমেইল --- আবার অনশন। শেষে সরকার বাকি ৫৫ কোটি টাকাও বিশ্বাসঘাতক পাকিস্তানকে দিতে বাধ্য হল! 


এইরকম জিন্নাহ আর অন্ধ পাকিস্তান প্রীতি দেখে বলতে পারি উনি প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপিতা ছিলেন ---- ভারতের নয়। প্রতিটি মুহুর্তে পাকিস্তানের সমর্থনে কথা বলেছেন -- সে পাকিস্তানের দাবী যতই অন্যায় হোক! 


বিঃদ্রঃ : শেষ পর্বে আদালতে বয়ানের কিছু অংশ বাংলায় অনুবাদ করে পরিবেশিত :


আদালতে দেওয়া নাথুরাম গোডসের কিছু বয়ানের বঙ্গানুবাদ----


" আমি ওনাকে অনেক শ্রদ্ধা করি। কিন্তু কোন দেশভক্তকে দেশ ভাগ ও একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের পক্ষপাতিত্ব করার অনুমতি দিতে পারি না। আমি গান্ধীকে মারিনি ---- বধ করেছি --- বধ। গান্ধীজিকে বধ করা ছাড়া আমার কাছে আর কোন উপায় ছিল না। উনি আমার শত্রু ছিলেন না ---- কিন্তু ওনার সিদ্ধান্ত দেশের বিপদ ডেকে আনছিল। যখন কোন ব্যক্তির কাছে আর কোন রাস্তা থাকে না ---- তখন ঠিক কাজ করার জন্য ভুল রাস্তা নিতে হয়। 


মুসলিম লীগ ও পাকিস্তান নির্মাণে গান্ধীজির সমর্থনই আমাকে বিচলিত করেছে। পাকিস্তানকে ৫৫ কোটি টাকা পাইয়ে দেবার জন্য গান্ধীজি অনশনে বসেন। পাকিস্তানে অত্যাচারের জন্য ভারতে চলে আসা হিন্দুদের দুর্দশা আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। গান্ধীজির মুসলিম লীগের কাছে মাথা নত করার জন্য অখন্ড হিন্দু রাষ্ট্র সম্ভব হয়নি। ছেলের পক্ষে মাকে টুকরো করে ভাগ করতে দেখা আমার অসহনীয় ছিল। নিজ দেশেই যেন বিদেশী হয়ে গেলাম। 


মুসলিম লীগের সমস্ত অন্যায় আব্দার উনি মেনে চলছিলেন। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম ---- ভারত মাতাকে পুনরায় টুকরো হওয়ার হাত থেকে ও দুর্দশার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য আমার গান্ধীজিকে বধ করতেই হবে। আর সেইজন্যই আমি গান্ধীজিকে বধ করেছি। 


আমি জানতাম এর জন্য আমার ফাঁসি হবে এবং 

আমি এর জন্য প্রস্তুত। আর এখানে যদি মাতৃভূমি রক্ষা করা অপরাধ হয় ----- তাহলে এরকম অপরাধ আমি বার বার করব ---- প্রত্যেক বার করব। আর যতক্ষণ না সিন্ধু নদী অখন্ড ভারতের মধ্যে না প্রবাহিত হয় ---- আমার অস্থি ভাসিও না। 


আমার ফাঁসির সময় আমার এক হাতে কেশরীয় পতাকা ও অন্য হাতে অখন্ড ভারতের মানচিত্র যেন থাকে। আমার ফাঁসিতে চড়ার আগে অখন্ড ভারত মাতার জয় বলতে চাই। 


হে ভারত মাতা --- আমার খুব দুঃখ যে আমি কেবল এইটুকুই তোমার সেবা করতে পেরেছি ।"

—নাথুরাম গোডসে